কৃষক ভাইদের তথ্যের ভিত্তিতে হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার ডিলারশিপ না নিয়েও সার ও কীটনাশকের বিক্রেতার সন্ধানে উপজেলার পাইকপাড়া ইউনিয়নের কাজির বাজারের মোঃ ফজল খানের দোকানে অনুসন্ধান করা হয়। সেখানে ফজল খানের মুদি দোকানে খাদ্য দ্রব্যের পাশাপাশি সার ও কীটনাশক পাওয়া যায়। প্রাপ্ত সার ও কীটনাশকের মধ্যে ইউরিয়া ২ বস্তা ও ২০ কেজি, পটাশ ৩০ কেজি, টিএসপি ১৫ কেজি, সালফক্স ৩ কেজি এবং সিডিয়াল ছিল ৪ কেজি। পরে বাজার কমিটির সদস্যদের জিম্মায় আটককৃত মালামাল স্থানীয় ডিলারদের নিকট ফেরত দেয়ার শর্তে হস্তান্তর করা হয়।
ইঁদুর আমাদের জাতীয় শত্রু। এরা ঘর-বাড়ি, রাস্তা-ঘাট ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি করে থাকে। এই ক্ষতির হাত হতে রক্ষার জন্য সকলে মিলিতভাবে ইঁদুর দমন করতে হবে। রোপা আমন মৌসুমে ইঁদুর ধান ফসলের ব্যাপক ক্ষতি করে থাকে। তাই ইঁদুর দমন করা অত্যান্ত জরুরী। ইঁদুর দমনের প্রয়োজনীয়তাঃ ইঁদুর মাঠ ফসলের ৫-১০ ভাগ ও সম্পদের ক্ষতি করে ৩-৪ ভাগ। একটি ইঁদুর বছরে প্রায় ৫০ কেজি গোলাজাত খাদ্যশস্য নষ্ট করে। রাস্তাঘাট, সড়ক, রেলপথ ও বাঁধে গর্ত করে কোটি কোটি টাকার ক্ষতি সাধন করে। গভীর ও অগভীর নলকুপের সেচ নালায় গর্ত করে ৫-৭ ভাগ পানির উপচয় করে। বৈদ্যুতিক তার কেটে অগ্নিকান্ড ঘটাতে পারে। প্লেগ, জন্ডিস, চর্মরোগ, কুষ্ঠ, টাইফয়েড ও আমাশয়সহ প্রায় ৩০-৩৫ প্রকার রোগের বিস্তার ঘটায়। খাদ্য ও পানির মাধ্যমে জীবানু জনিত বিষক্রিয়া ঘটাতে পারে। ইঁদুর মাঠ ফসল, গোলাগাত খাদ্যসহ প্রায় সকল জিনিস কেটে কুটে নষ্ট করে। গর্ত খুঁড়ে ঘরের ভিত দুর্বল করে ফেলে। ইঁদুর দমনে ব্যবস্থাঃ জমির আইল ছোট রাখতে হবে, অর্থাৎ ৬-৮ ইঞ্চির মধ্যে রাখতে হবে এবং আগাছা পরিষ্কার রাখতেহবে। গর্ত খুঁড়ে পানি ঢালতে...





