Skip to main content

ব্লাস্ট প্রতিরোধী ধানের জাত

ব্লাস্ট রোগ বাংলাদেশে ধানের প্রধান রোগগুলোর মধ্যে অন্যতম। প্রতিবছর আমন ও বোরো মৌসুমে কম-বেশি এ রোগের আক্রমণ দেখা দেয়। ব্লাস্ট প্রতিরোধী কিছু ধানের জাত...

-
বোরো মৌসুমে
বিআর ৩, ৬, ৭, ১২, ১৪, ১৬, ১৭, ব্রি ধান ২৮ ও ৪৫
-
আউশ মৌসুমে
বিআর ৩, ৬, ৭, ১২, ১৪, ১৬, ২০,২১, ২৪
-
আমন মৌসুমে
বিআর ৪, ৫, ১০, ব্রি ধান ৩২, ‍ব্রি ধান ৩৩, ব্রি ধান ৪৪
উৎসঃ ব্রি ওয়েবসাইট

Comments

Popular posts from this blog

ইঁদুর নিধনে করনীয়

ইঁদুর আমাদের জাতীয় শত্রু। এরা ঘর-বাড়ি, রাস্তা-ঘাট ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি করে থাকে। এই ক্ষতির হাত হতে রক্ষার জন্য সকলে মিলিতভাবে ইঁদুর দমন করতে হবে। রোপা আমন মৌসুমে ইঁদুর ধান ফসলের ব্যাপক ক্ষতি করে থাকে। তাই ইঁদুর দমন করা অত্যান্ত জরুরী। ইঁদুর দমনের প্রয়োজনীয়তাঃ  ইঁদুর মাঠ ফসলের ৫-১০ ভাগ ও সম্পদের ক্ষতি করে ৩-৪ ভাগ।  একটি ইঁদুর বছরে প্রায় ৫০ কেজি গোলাজাত খাদ্যশস্য নষ্ট করে।   রাস্তাঘাট, সড়ক, রেলপথ ও বাঁধে গর্ত করে কোটি কোটি টাকার ক্ষতি সাধন করে। গভীর ও অগভীর নলকুপের সেচ নালায় গর্ত করে ৫-৭ ভাগ পানির উপচয় করে। বৈদ্যুতিক তার কেটে অগ্নিকান্ড ঘটাতে পারে।  প্লেগ, জন্ডিস, চর্মরোগ, কুষ্ঠ, টাইফয়েড ও আমাশয়সহ প্রায় ৩০-৩৫ প্রকার রোগের বিস্তার ঘটায়। খাদ্য ও পানির মাধ্যমে জীবানু জনিত বিষক্রিয়া ঘটাতে পারে।  ইঁদুর মাঠ ফসল, গোলাগাত খাদ্যসহ প্রায় সকল জিনিস কেটে কুটে নষ্ট করে। গর্ত খুঁড়ে ঘরের ভিত দুর্বল করে ফেলে।  ইঁদুর দমনে ব্যবস্থাঃ  জমির আইল ছোট রাখতে হবে, অর্থাৎ ৬-৮ ইঞ্চির মধ্যে রাখতে হবে এবং আগাছা পরিষ্কার রাখতেহবে।  গর্ত খুঁড়ে পানি ঢালতে...

সার ও কীটনাশকের দোকান পরিদর্শন ১৯.০৯.২০১৮

চুনারুঘাট উপজেলার সার ও কীটনাশকের দোকান পরিদর্শন করেন উপজেলা কৃষি অফিস এর কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার এবং সহকারী কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার। দোকানে (খুচরা এবং ডিলার/পাইকারী) সার ও কীটনাশকের মজুদ ব্যবস্থাপনার দিকে বিশেষভাবে নজর দেয়া হয় এবং দোকানে মেয়াদ উত্তীর্ণ কোন কীটনাশক আছে কি না তা খতিয়ে দেখা হয়। ডিলারদের রেজিস্টার থেকে তাদের মজুদের মধ্যে সামঞ্জস্য খতিয়ে দেখা হয়।

প্রযুক্তি হস্তান্তরের জন্য কৃষক প্রশিক্ষণ ১৫.১০.১৮

বাংলাদেশের কৃষিব্যবস্থা প্রকৃতিনির্ভর। ৭০ ভাগ লোক প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। দেশে মোট উৎপাদনের প্রায় ২৪% আসে কৃষি থেকে। কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধির হার ৪%। পৃথিবীর অন্যান্য দেশের মতো সবুজ বিপ্লবের ফলে তথা নানারকম ফসলের জাত উন্নয়নে গত ৫০ বছরে দানাশস্যের ফলন বেড়েছে কয়েকগুণ। উচ্চফলনশীল ধান ও গমের জাতের সূচনার ফলে স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশে খাদ্য উৎপাদন প্রায় তিন গুণ বেড়েছে। প্রযুক্তি প্রয়োগে কৃষির এই অভাবনীয় রণনৈপূন্যের ধারা অব্যহত রাখতে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহায়তা কৃষকের কাছে সর্বদা চলমান। আর এই ধারাবাহিকতায় উপজেলা পর্যায়ে প্রযুক্তি হস্তান্তরের জন্য কৃষক প্রশিক্ষণ (৩য় পর্যায়) প্রকল্প এর আওতায় "কৃষক প্রশিক্ষণ" চলছে উপজেলা কৃষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, চুনারুঘাটে। প্রশিক্ষণের বিষবস্তুর বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোকপাত করেন খামারবাড়ি হবিগঞ্জ এর অতিরিক্ত উপপরিচালক (উদ্ভিদ সংরক্ষণ) মহোদয় জনাব মোস্তফা ইকবাল আজাদ, উপজেলা কৃষি অফিসার মহোদয় এবং কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মহোদয়। কৃষিপ্রধান বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও জাতীয় উন্নয়নে কৃষি গবেষণা ও সম্প্রসারণ বিশাল এবং ...