Skip to main content

বিভাগীয় মাসিক সভা ও বিদায় অনুষ্টান ১৪.১০.১৮

অক্টোবর (২০১৮) মাসের বিভাগীয় মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয় খামারবাড়ি, হবিগঞ্জ। সভায় সভাপতিত্ব করেন সম্মানিত উপপরিচালক,  মোহাম্মদ আলী স্যার। উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য), এম এম ইলিয়াস স্যার এবং অতিরিক্ত উপপরিচালক (উদ্ভিদ সংরক্ষণ), মোস্তফা ইকবাল আজাদ স্যার।  এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ জেলার সকল উপজেলার কৃষি অফিসারগণ এবং কৃষি সম্প্রসারণ অফিসারগণ।
সভায় কৃষি অধিদপ্তরের নির্দেশনা মোতাবেক বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচিত হয়। আলোচনা করা হয় হবিগঞ্জের কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নের ধারা অব্যহত রাখতে করণীয় বিষয় নিয়ে। এছাড়া আসন্ন খাদ্য দিবস এর সফল বাস্তবায়নে বিভিন্ন দিক নিয়েও আলোচনা করা হয়।
সভা শেষে বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য), এম এম ইলিয়াস  স্যার বর্তমানে উপপরিচালক হিসেবে সিলেটে যোগদান এর কারণে বিদায় গ্রহণ করেন। বিদায়ী সভায় স্যারের বিভিন্ন আবেগপূর্ণ অভিজ্ঞতা নিয়ে কথা বলেন জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের অফিসারবৃন্দ। বিদায়ী সভায় স্মৃতিচারণ করেন বিদায়ী এম এম ইলিয়াস স্যার।








Comments

Popular posts from this blog

ইঁদুর নিধনে করনীয়

ইঁদুর আমাদের জাতীয় শত্রু। এরা ঘর-বাড়ি, রাস্তা-ঘাট ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি করে থাকে। এই ক্ষতির হাত হতে রক্ষার জন্য সকলে মিলিতভাবে ইঁদুর দমন করতে হবে। রোপা আমন মৌসুমে ইঁদুর ধান ফসলের ব্যাপক ক্ষতি করে থাকে। তাই ইঁদুর দমন করা অত্যান্ত জরুরী। ইঁদুর দমনের প্রয়োজনীয়তাঃ  ইঁদুর মাঠ ফসলের ৫-১০ ভাগ ও সম্পদের ক্ষতি করে ৩-৪ ভাগ।  একটি ইঁদুর বছরে প্রায় ৫০ কেজি গোলাজাত খাদ্যশস্য নষ্ট করে।   রাস্তাঘাট, সড়ক, রেলপথ ও বাঁধে গর্ত করে কোটি কোটি টাকার ক্ষতি সাধন করে। গভীর ও অগভীর নলকুপের সেচ নালায় গর্ত করে ৫-৭ ভাগ পানির উপচয় করে। বৈদ্যুতিক তার কেটে অগ্নিকান্ড ঘটাতে পারে।  প্লেগ, জন্ডিস, চর্মরোগ, কুষ্ঠ, টাইফয়েড ও আমাশয়সহ প্রায় ৩০-৩৫ প্রকার রোগের বিস্তার ঘটায়। খাদ্য ও পানির মাধ্যমে জীবানু জনিত বিষক্রিয়া ঘটাতে পারে।  ইঁদুর মাঠ ফসল, গোলাগাত খাদ্যসহ প্রায় সকল জিনিস কেটে কুটে নষ্ট করে। গর্ত খুঁড়ে ঘরের ভিত দুর্বল করে ফেলে।  ইঁদুর দমনে ব্যবস্থাঃ  জমির আইল ছোট রাখতে হবে, অর্থাৎ ৬-৮ ইঞ্চির মধ্যে রাখতে হবে এবং আগাছা পরিষ্কার রাখতেহবে।  গর্ত খুঁড়ে পানি ঢালতে...

সার ও কীটনাশকের দোকান পরিদর্শন ১৯.০৯.২০১৮

চুনারুঘাট উপজেলার সার ও কীটনাশকের দোকান পরিদর্শন করেন উপজেলা কৃষি অফিস এর কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার এবং সহকারী কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার। দোকানে (খুচরা এবং ডিলার/পাইকারী) সার ও কীটনাশকের মজুদ ব্যবস্থাপনার দিকে বিশেষভাবে নজর দেয়া হয় এবং দোকানে মেয়াদ উত্তীর্ণ কোন কীটনাশক আছে কি না তা খতিয়ে দেখা হয়। ডিলারদের রেজিস্টার থেকে তাদের মজুদের মধ্যে সামঞ্জস্য খতিয়ে দেখা হয়।

ব্লাস্ট প্রতিরোধী ধানের জাত

ব্লাস্ট রোগ বাংলাদেশে ধানের প্রধান রোগগুলোর মধ্যে অন্যতম। প্রতিবছর আমন ও বোরো মৌসুমে কম-বেশি এ রোগের আক্রমণ দেখা দেয়। ব্লাস্ট প্রতিরোধী কিছু ধানের জাত... - বোরো মৌসুমে বিআর ৩, ৬, ৭, ১২, ১৪, ১৬, ১৭, ব্রি ধান ২৮ ও ৪৫ - আউশ মৌসুমে বিআর ৩, ৬, ৭, ১২, ১৪, ১৬, ২০,২১, ২৪ - আমন মৌসুমে বিআর ৪, ৫, ১০, ব্রি ধান ৩২, ‍ব্রি ধান ৩৩, ব্রি ধান ৪৪ উৎসঃ ব্রি ওয়েবসাইট