চতুর্থ জাতীয় উন্নয়ন মেলা ২০১৮ এর সফল বাস্তবায়নের পর এর সমাপনী হয়ে গেল। বরাবরের মত, এবারের উন্নয়ন মেলাও সার্বিকভাবে উপজেলা, জেলা এবং বিভাগীয় পর্যায়ে একযোগে অনুষ্ঠিত হয়। আর, এতে স্বতস্ফুর্তভাবে নিজেদের উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরতে অংশগ্রহণ করে সরকারের বিভিন্ন সেক্টর। উন্নয়ন মেলায় নিজেদের সেবা এবং কার্যাবলীর উপস্থাপন শেষে তাদের এই উন্নয়নের ধারা সমুন্নত রাখার আশা ব্যক্ত করে পাশাপাশি তাদের এই উপস্থাপনের স্বীকৃতিস্বরূপ তাদেরকে বিভিন্নভাবে অনুপ্রাণিত করতে পুরস্কারের ব্যবস্থা রাখা হয়। এবারের উন্নয়ন মেলায় নিজেদের তথ্য এবং উপাত্ত উপস্থাপনের মাধ্যমে চুনারুঘাট উপজেলা কৃষি অফিস ২য় স্থান দখল করে। উল্লেখ্য, চুনারুঘাট উপজেলা থেকে একটা গ্রুপ হবিগঞ্জের কৃষি উপস্থাপনের জন্য জেলা পর্যায়ে একসাথে কাজ করে; যেখানে হবিগঞ্জের কৃষি ১ম স্থান দখল করে।
ইঁদুর আমাদের জাতীয় শত্রু। এরা ঘর-বাড়ি, রাস্তা-ঘাট ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি করে থাকে। এই ক্ষতির হাত হতে রক্ষার জন্য সকলে মিলিতভাবে ইঁদুর দমন করতে হবে। রোপা আমন মৌসুমে ইঁদুর ধান ফসলের ব্যাপক ক্ষতি করে থাকে। তাই ইঁদুর দমন করা অত্যান্ত জরুরী। ইঁদুর দমনের প্রয়োজনীয়তাঃ ইঁদুর মাঠ ফসলের ৫-১০ ভাগ ও সম্পদের ক্ষতি করে ৩-৪ ভাগ। একটি ইঁদুর বছরে প্রায় ৫০ কেজি গোলাজাত খাদ্যশস্য নষ্ট করে। রাস্তাঘাট, সড়ক, রেলপথ ও বাঁধে গর্ত করে কোটি কোটি টাকার ক্ষতি সাধন করে। গভীর ও অগভীর নলকুপের সেচ নালায় গর্ত করে ৫-৭ ভাগ পানির উপচয় করে। বৈদ্যুতিক তার কেটে অগ্নিকান্ড ঘটাতে পারে। প্লেগ, জন্ডিস, চর্মরোগ, কুষ্ঠ, টাইফয়েড ও আমাশয়সহ প্রায় ৩০-৩৫ প্রকার রোগের বিস্তার ঘটায়। খাদ্য ও পানির মাধ্যমে জীবানু জনিত বিষক্রিয়া ঘটাতে পারে। ইঁদুর মাঠ ফসল, গোলাগাত খাদ্যসহ প্রায় সকল জিনিস কেটে কুটে নষ্ট করে। গর্ত খুঁড়ে ঘরের ভিত দুর্বল করে ফেলে। ইঁদুর দমনে ব্যবস্থাঃ জমির আইল ছোট রাখতে হবে, অর্থাৎ ৬-৮ ইঞ্চির মধ্যে রাখতে হবে এবং আগাছা পরিষ্কার রাখতেহবে। গর্ত খুঁড়ে পানি ঢালতে...


